• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি

ব্যানবেসের উপ-পরিচালকের বিরুদ্ধে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

Manikgange20160628110926সিসি নিউজ: বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের (ব্যানবেস) উপ-পরিচালক ড. সুমন কুমার পান্ডের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার প্রথম স্ত্রী অনামিকা চক্রবর্তী।
মঙ্গলবার দুপুরে মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বাবা রমেন্দ্রনাথ চক্রবর্তিকে নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন অনামিকা।
লিখিত বক্তব্যে অনামিকা চক্রবর্তী বলেন, স্বামী সুমন কুমার পান্ডে শারীরিক ও মানসিকভাবে তাকে নির্যাতন করেন। বিনা অনুমতিতে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। মামলা করায় তাকে বিভিন্নভাবে তাকে হুমকি দেয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে ড. সুমন পান্ডের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় অবশ্য সুমন ছিলেন মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। পরবর্তিতে সুমনের পিএইচডি ডিগ্রী নেয়া পর্যন্ত পড়ালেখার খরচ যোগায় অনামিকার বাবা। লেখাপড়া শেষে সুমন চাকরি করেন বিভিন্ন কলেজে। সর্বশেষ নিয়োগ পান ব্যানবেসের উপ-পরিচালক পদে। কিন্তু সন্তান না হওয়ায় দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়।
অনামিকা বলেন, ডাক্তারি পরীক্ষায় দেখা যায় সুমনের কারণেই তাদের সন্তান হচ্ছে না। কিন্তু এটা মানতে রাজি নয় সুমন। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় অনামিকাকে মারধর করতো সে। সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর প্রচণ্ড মারধর করে অনামিকাকে ঢাকার বাসা থেকে বের করে দেয় সুমন। এর কয়েকদিন পরেই সুমন বিয়ে করেন দেবযানী চন্দন নামের এক মেয়েকে।
বিষয়টি নিয়ে তিনি শিক্ষা সচিব ও ব্যানবেসের পরিচালকের কাছে অভিযোগ করেও কোনো ফল পাননি। তাই বাধ্য হয়ে গত বছরের ১৮ নভেম্বর মানিকগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি এবং বিনা অনুমতিতে বিয়ে করার জন্য জ্যুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে একটি মামলা করেন। কিন্তু সুমন এখন মামলা তুলে নেয়ার জন্য তাকে হুমকি দিচ্ছে বলে অনামিকা অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অনামিকার বাবা রমেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, তিনি এবং তার স্ত্রী দুজনেই শিক্ষকতা করেন। তাদের একমাত্র সন্তান অনামিকা। অনামিকার সুখের কথা চিন্তা করে বিয়ের সময় ১০ ভরি স্বার্ণালঙ্কারসহ প্রায় দুই লাখ টাকা দিয়েছিলেন জামাইকে। পরবর্তিতে তার লেখাপড়া এবং বেকার থাকার কারণে সংসারের সমস্ত খরচও চালিয়েছেন।
এমনকি ঢাকায় একটি ফ্র্যাট কেনার জন্য বিভিন্ন সময় ব্যাংকের মাধ্যমে প্রায় ১২ লাখ টাকা দেন। কিন্তু চাকরি পাওয়ার পর সুমন অবৈধভাবে মোটা টাকার মালিক হয়। যে কারণে সে আর অনামিকার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চায় না।
তিনি তার মেয়ের উপর যে অন্যায় করা হয়েছে তার বিচার দাবি করেন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ